ব্যাপ্তিলক্ষণ বিশ্লেষণ: ন্যায় মত

Authors

  • পত্রলেখা মিত্র

DOI:

#10.25215/9198924044.09

Abstract

অনুমিতির লক্ষণ আলোচনা প্রসঙ্গে আমরা পরামর্শের আলোচনা পাই। আর সেই পরামর্শের আলোচনা প্রসঙ্গেই ব্যাপ্তির কথা পেয়ে থাকি। তাই অনুমিতি আলোচনার পূর্বে ব্যাপ্তি লক্ষণের আলোচনা আবশ্যক। নৈয়ায়িক বিশ্বনাথ তাঁর ভাষাপরিচ্ছেদ গ্রন্থে ব্যাপ্তির যে প্রথম লক্ষণটি দিয়েছেন সেটি হল "ব্যাপ্তিঃ সাধ্যবদন্যস্মিন্নসম্বন্ধ উদাহৃতঃ”। অর্থাৎ যেখানে সাধ্য থাকে সেই অধিকরণ ভিন্ন অন্যত্র হেতুর অবৃত্তিত্ব বা সম্বন্ধের অভাব হল ব্যাপ্তি। মুক্তাবলীতে এই লক্ষণটি যে একটি যথার্থ লক্ষণ তা দেখানোর জন্য একটি সদ্ধেতুক অনুমিতির উদাহরণ দেওয়া হয় এবং দেখানো হয় যে লক্ষণটি এই সদ্ধেতুক অনুমিতিতে প্রযোজ্য হচ্ছে। ফলে লক্ষণটি একটি যথার্থ লক্ষণ হিসেবে পরিগণিত হয়। ব্যাপ্তির উক্ত লক্ষণটি যে অতিব্যাপ্তি ও অব্যাপ্তি দোষ থেকে মুক্ত তা কয়েকটি ব্যাভিচারী অনুমিতির উদাহরণের সাহায্যে প্রমাণ করা হয়। সদ্ধেতুক স্থলে লক্ষণের পাঠ লাগাতে গিয়ে লক্ষণটিতে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন অবচ্ছেদক সম্বন্ধ ও অবচ্ছেদকতা ধর্মকে বিশেষণরূপে যুক্ত করা হয়। ফলে লক্ষণ ক্রমশই কলেবরে বৃদ্ধি পায়। এইভাবেই বিশেষণ যুক্ত হতে হতে লক্ষণ সমন্বয় ঘটিয়ে আলোচনা অগ্রসর হতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ব্যাপ্তির প্রথম লক্ষণটি সম্পূর্ণরূপে যা দাঁড়ায় তা হল এরূপ - সাধ্যতাবচ্ছেদকসম্বন্ধাবচ্ছিন্ন সাধ্যবত্ত্বাবচ্ছিন্নপ্রতিযোগিতাকভেদবানের দ্বারা নিরূপিত হেতুতাবচ্ছেদকসম্বন্ধাবচ্ছিন্ন হেতুতাবচ্ছেদকাবচ্ছিন্ন বৃত্তিত্বত্বাবচ্ছিন্ন প্রতিযোগিতাক বৃত্তিত্বের অভাবই হল ব্যাপ্তি ।

Published

2024-05-09

How to Cite

পত্রলেখা মিত্র. (2024). ব্যাপ্তিলক্ষণ বিশ্লেষণ: ন্যায় মত. Redshine Archive, 13(3). https://doi.org/10.25215/9198924044.09